একটা কথা মাথায় রেখে আমরা শুরু করেছিলাম — বাংলাদেশের মানুষ যেন নিজের ভাষায়, নিজের পেমেন্ট সিস্টেমে এবং নিজের সময়মতো বেটিংয়ের অভিজ্ঞতা নিতে পারে। fb77 bat সেই চিন্তা থেকেই জন্ম নিয়েছে।
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিংয়ের কথা উঠলে অনেকের মনে প্রথম যে প্রশ্নটা আসে — "টাকা দেবে তো?" এই সংশয়টা তৈরি হওয়ার পেছনে কারণ আছে। অনেক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীদের সঙ্গে অসৎ ব্যবহার করেছে, লুকানো শর্ত রেখেছে, উইথড্রলে টালবাহানা করেছে।
fb77 bat এই বিশ্বাসের জায়গাটা ফিরিয়ে দিতে চায়। আমাদের লক্ষ্য সহজ — স্বচ্ছ নিয়ম, দ্রুত পেমেন্ট, বাংলায় সাপোর্ট এবং এমন একটা প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারী নিজেকে নিরাপদ মনে করেন।
আমরা চাই প্রতিটি ব্যবহারকারী — চাই সে ঢাকার কেউ হোক বা সুনামগঞ্জের — একই মানের সেবা পাক। ভাষার বাধা নেই, পেমেন্টের জটিলতা নেই, অযথা দেরি নেই।
প্রতিটি ট্রানজেকশন রেকর্ড করা হয়। বোনাসের শর্ত স্পষ্ট ভাষায় লেখা থাকে। কোনো লুকানো ফি নেই।
বাংলা ইন্টারফেস, বিকাশ-নগদ-রকেট পেমেন্ট, বিপিএল-আইপিএল কভারেজ — সব কিছু এখানকার ব্যবহারকারীর কথা মাথায় রেখে।
রাত দুটোতেও সমস্যা হলে সাপোর্ট দলের কেউ না কেউ সাড়া দেবে। লাইভ চ্যাট, ইমেইল — যেভাবে সুবিধা।
আনন্দের জন্য খেলুন, চাপের জন্য নয়। আমরা দায়িত্বশীল গেমিং টুলস দিই যেন কেউ সীমা ছাড়িয়ে না যায়।
শুধু বেটিং না — একটা পূর্ণ অভিজ্ঞতা।
লাইভ ম্যাচে প্রতি সেকেন্ডে অডস বদলায়। fb77 bat-এ রিয়েল-টাইম আপডেট নিশ্চিত করা হয় যেন কোনো সুযোগ মিস না হয়।
বিকাশ, নগদ ও রকেটে উইথড্রল করলে সাধারণত ৩০ মিনিটের মধ্যে টাকা আসে। বড় পরিমাণে একটু বেশি সময় লাগতে পারে, কিন্তু কখনো অযথা আটকায় না।
Android ও iOS দুটোতেই অ্যাপ আছে। হালকা, দ্রুত এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট লগইন সাপোর্টসহ। ব্রাউজারের চেয়ে অনেক বেশি স্মুথ।
ব্রোঞ্জ থেকে ডায়মন্ড — পাঁচটি স্তরের লয়্যালটি প্রোগ্রাম। যত বেশি সক্রিয়, তত বেশি সুবিধা। ক্যাশব্যাক, বোনাস ও প্রায়রিটি সাপোর্ট।
বিপিএল, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট — fb77 bat-এ সব ম্যাচের বেটিং পাবেন।
SSL এনক্রিপশন, টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন এবং অ্যান্টি-ফ্রড সিস্টেম — আপনার অ্যাকাউন্ট ও টাকা সুরক্ষিত রাখা আমাদের দায়িত্ব।
ছোট একটা দলের স্বপ্ন থেকে বাংলাদেশের অন্যতম বড় বেটিং প্ল্যাটফর্ম হয়ে ওঠার গল্প।
বিকাশ সাপোর্ট ও বাংলা ইন্টারফেস নিয়ে বাজারে আসে। প্রথম মাসেই ১০ হাজার সদস্য।
Android APK আসে, নগদ ও রকেট পেমেন্ট যুক্ত হয়। সদস্য সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
ইন-প্লে বেটিং ফিচার আসে। ই-স্পোর্টস বিভাগ খোলা হয়। ২৪/৭ সাপোর্ট চালু।
পাঁচ-স্তরের লয়্যালটি সিস্টেম চালু। iOS অ্যাপ লঞ্চ। সদস্য সংখ্যা ৩ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
ফিঙ্গারপ্রিন্ট লগইন, রিয়েল-টাইম অডস আপডেট ও অনলাইন লটারি বিভাগ চালু। ৫ লাখ+ সদস্য।
fb77 bat কোনো রাতারাতি তৈরি হওয়া প্ল্যাটফর্ম না। এর পেছনে আছে একটা দলের বছরের পর বছরের পরিশ্রম, বাংলাদেশের বেটিং কমিউনিটির সঙ্গে সরাসরি কথা বলার অভিজ্ঞতা এবং স্থানীয় চাহিদা বোঝার চেষ্টা।
শুরুতে শুধু ক্রিকেট ও ফুটবল ছিল। ধীরে ধীরে ব্যবহারকারীদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন খেলা যুক্ত হয়েছে — ব্যাডমিন্টন, টেনিস, ই-স্পোর্টস, লটারি। প্রতিটা নতুন ফিচার যোগ করার আগে ব্যবহারকারীদের সাথে আলাপ করা হয়।
পেমেন্টের বিষয়টা নিয়ে আমরা সবসময় সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকি। উইথড্রলে দেরি হওয়া বা অযথা যাচাই চাওয়া — এই অভিযোগগুলো যেন fb77 bat-এর বিরুদ্ধে না আসে, সেটা নিশ্চিত করতে আমাদের পেমেন্ট টিম সারাদিন কাজ করে।
দায়িত্বশীল বেটিংয়ের বিষয়টা আমাদের কাছে শুধু একটা পাতার লেখা না। আমাদের অ্যাপে ডিপোজিট লিমিট সেট করার অপশন আছে, নিজে থেকে সীমা বেঁধে নেওয়া যায়। কেউ যদি মনে করেন একটু বিরতি নেওয়া দরকার, সেই টুলও আছে।
সব মিলিয়ে — fb77 bat শুধু একটা বেটিং প্ল্যাটফর্ম না, এটা বাংলাদেশের বেটিং কমিউনিটির একটা বিশ্বস্ত সাথী হওয়ার চেষ্টা করছে, দিনের পর দিন।
যারা প্রতিদিন প্ল্যাটফর্মটা চালু রাখেন।
১০ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা। fb77 bat-এর মূল ভিশনের রূপকার।
অ্যাপ ও প্ল্যাটফর্মের পুরো ইঞ্জিনিয়ারিং টিম পরিচালনা করেন।
৫০ জনের সাপোর্ট দলকে নেতৃত্ব দেন। ২৪/৭ সেবা নিশ্চিত করেন।
ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক বিশ্লেষণ করে নতুন ফিচার পরিকল্পনা করেন।
আমাদের সম্পর্কে যা জানতে চান।
বিকাশে ডিপোজিট, বাংলায় সাপোর্ট, ৩০ মিনিটে উইথড্রল — শুরু করতে মাত্র ২ মিনিট লাগবে।